লোড হচ্ছে...
মাত্র একটি ফোনকল—আর তাতেই ভেস্তে গেল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনা। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার বৈঠকের পর কোনো সমঝোতা ছাড়াই আলোচনা শেষ হয়।
১৩ এপ্রিল, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের চলমান সংঘাতের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। পারস্য উপসাগর অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় হরমুজ প্রণালি ঘিরে জ্বালানি সরবরাহে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশেও।
১০ এপ্রিল, ২০২৬
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ইতোমধ্যে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। এতে আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন করে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জ্বালানির দাম বাড়লে এর প্রভাব সরাসরি পড়ে আমদানি ব্যয়ে। এতে পরিবহন খরচ বাড়ে, যা ধাপে ধাপে পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় বাড়িয়ে দেয়। শেষ পর্যন্ত এর চাপ পড়ে ভোক্তা পর্যায়ে। ফলে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে পারে।
২৮ মার্চ, ২০২৬
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি প্রায় চার সপ্তাহ ধরে কার্যত অচল হয়ে পড়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
২৭ মার্চ, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর সরাসরি প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায়। তেলের সীমিত সরবরাহ ও ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনের কারণে পরিবহন খাতের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ফলে ধীরে ধীরে এর প্রভাব পড়ছে দেশের পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১১ মার্চ, ২০২৬
ইরান–যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধকে ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার সরাসরি প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায়। দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সরকার ইতিমধ্যে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, সরবরাহ ও মজুত ব্যবস্থাপনা নিয়ে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
১০ মার্চ, ২০২৬
দেশের জ্বালানি বাজারে এলপিজি এখন প্রায় অপরিহার্য পণ্যে পরিণত হয়েছে। পাইপলাইনের গ্যাস সুবিধা না থাকা শহর ও গ্রামাঞ্চলের অসংখ্য পরিবারের জন্য রান্নার প্রধান জ্বালানি এই তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে আমদানি জটিলতা, আন্তর্জাতিক নৌপথে ভাড়া বৃদ্ধি এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় অসামঞ্জস্যতার কারণে এলপিজি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর, যাদের সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি মূল্য দিয়ে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে।
৮ মার্চ, ২০২৬

